Ads:

  • সর্বশেষ

    নারায়ণগঞ্জ এসি ল্যান্ড নামজারী নামে জনগণের দুর্ভোগ ও রমরমা ঘুস বানিজ্য।

    নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি।  মোঃ ওয়াকিল আহমেদ। 

     নারায়ণগঞ্জ এসি ল্যান্ড সিদ্ধিরগঞ্জ সার্কেল জনগনের হয়রানি ও দুর্ভোগের নেই শেষ চলছে ছোটখাট ভুলের জন্য গুনতে হচ্ছে হাজার হাজাট টাকার ঘুস বানিজ্য। 



    নারায়ণগঞ্জ এসি ল্যান্ড সিদ্ধিরগঞ্জ সার্কেল জমি নামজারী শুনানির নামে চলছে জনগণের দুর্ভোগ ও ঘুষ বানিজ্য। নামজারী আবেদন হওয়ার পর সিদ্ধিরগঞ্জ গোদনাইল জালকুরি ভুমি অফিস থেকে আবেদন প্রস্তাব পাশ হয়ে আাশার পরেও নারায়ণগঞ্জ এসি ল্যান্ড শুনানির নামে চলে মানুষের হয়রানির নারায়ণগঞ্জ এসি ল্যান্ড ঘুরে কয়েক জন আবেদন কারী সাথে কথা বলে জানা গেলো কেউ ২ বা ৩ বার আবেদন করেছেন শুনানিতে বিভিন্ন অজুহাত তাদের আবেদন বাতিল করে এবং মোটা অংকের টাকার বিনিময় হলে তা আবেদন মনজুর করে। চিটাগং রোড হিরাঝিল এক মুরুব্বি নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বলেন, আমার সব কাগজ পত্র টিক থাকলে আমার আবেদন তিন বার বাতিল করে তার মানে টাকা দিয়ে করতে হবে। এসব অনৈতিক কাজের সাথে জরিত এসি ল্যান্ড অফিস সহকারী জান্নাত হোসেন, সার্ভেয়ার জহিরুল ইসলাম রিয়েল কানুনগো ফারুক আলম। টাকা ছাড়া কোন নামজারী আবেদন মুঞ্জর হয় না। আর এসব কর্মকরতাদের সহায়তায় করছে এসি ল্যান্ড দেবজানী কর নিজেও। এখন এসি ল্যান্ড সামনে কোন শুনানি হয় না। আগে দেখে সার্ভেয়ার জহিরুল ইসলাম রিয়েল ও অফিস সহকারী জান্নাত হোসেন আগেই আবেদন পত্র, দলিল পরচা দেখে সব ভুল দরে লিখে তা শুনানির নামে এসি ল্যান্ড নিজের মুখে বলায় এবং আবেদন না মুঞ্জুর করে। পরে হয়রানি হওয়ার ভয়ে বার বার আবেদন বাতিল জন্য মানুষ মোটা অংকের টাকার বিনিময় নানজারী করতে বাধ্য হয়। 

    অনেকে বলে এসব দেখার কেউ নেই। ভূমি অফিসে কেরানি থেকে ভুমি মন্ত্রণালয়ের পর্যন্ত এই টাকা পৌঁছায় বলে জানতে পারা যায়। এস এখন ঠেকানো না গেলে এরা টাকার বিনিময় এক জনের জমি আরেক জনকে দিয়ে দিবে। এই অফিসে সবচেয়ে ঘুস গ্রহন করেন কানুনগো ফারুক আলম ও সহকারী জান্নাত হোসেন তারা নিজে কিছু না বললেন অস্থায়ী কর্মচারী ও অফিসের সহকারী দিয়ে মোটা অংকের টাকা গ্রহন করেন বলে জানান অনেকে। তাই অনেকে মনে করেন ভুমি মন্ত্রণালয়ের উচিত এসি ল্যান্ড দিগে নজর দেওয়া ও এর ব্যাবস্থা করা। 

    নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি।

    No comments

    ADS :

    Post Bottom Ad

    ad728